লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলের নেতৃত্ব পর্যায়ে শুরু হওয়া সংস্কারের অংশ হিসেবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈকেও সরানোর দাবি উঠেছে।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দলের ভরাডুবির পর তরুণ গগৈ নিজেই পদত্যাগ করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে গিয়েছিলেন। তখন তা নাকচ করা হলেও নতুন করে আসাম কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাদের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগ দাবি উঠার পর নতুন করে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে কেন্দ্রকে অনুরোধ জানিয়েছেন। বিধান সভায় কংগ্রেসের ৭৮ জন এমএলএর মধ্যে ৪৫ জনই গগৈ এর সরে যাওয়ার পক্ষে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খারগে বিষয়টি পর্যবেক্ষন করতে গৌহাটিতে যাবেন। তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে কংগ্রেসের সংসদীয় সভায়।
আসামের ১৩ বছরের মুখ্যমন্ত্রী গত দুই বছর ধরেই দলের ভেতর থেকে জোরালো বিরোধিতা মুখে পড়ছেন। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে নিজেদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসামের ১৪টি আসনের মধ্যে মাত্র তিনটিতে জিতেছে কংগ্রেসের প্রার্থীরা।
নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে সাতটি আসন। মুখ্যমন্তী গগৈয়ের ছেলে গৌরভ তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে মাত্র ৯৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
৭৮ বছর বয়স্ক গোগৈর ঘনিষ্ঠজনরা অব্যবস্থাপনা আর দলবাজিকে লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুরির কারণ হিসাবে মনে করছেন।
এদিকে আসাম ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানাতে নেতৃত্বের পরিবর্তন আনার চিন্তা-ভাবনা চলছে কংগ্রেসে।

