আজ বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
- শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে বিনামূল্যে পাট বীজ বিতরণ
- মাগুরা নিউজের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট রাজীব কুমার মিত্র জয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- শ্রীপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
- শ্রীপুরে বজ্রপাতে দিনমজুরের মৃত্যু, আহত ১ নারী
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
কিশোর-কিশোরী স্থাপন প্রকল্পের আওতায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়ন্ত্রণাধীন ও শ্রীপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপণায় রবিবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ৩০ জন সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পোষাক বিতরণ করা হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী নিজগুণে উপস্থিত থেকে তাঁর অফিস কক্ষে এ পোষাক বিতরণ করেন।
এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র মন্ডল, মাগুরা জেলা ফিল্ড সুপারভাইজার পরেশ বিশ্বাস, শ্রীপুর উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রোমোটার জান্নাতুল মাওয়া, শ্রীপুর ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের আবৃত্তি শিক্ষক, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আশরাফ হোসেন পল্টু, সাংবাদিক আব্দুর রশিদ, কিশোর-কিশোরী ক্লাব শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের সংগীত শিক্ষিকা মায়া ভৌমিকসহ কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যবৃন্দ। পর্যায়ক্রমে এ পোষাক উপজেলার শ্রীকোল, গয়েশপুর, আমলসার, দ্বারিয়াপুর, সব্দালপুর, কাদিরপাড়া ও নাকোলসহ বাকি ৭টি ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবেও বিতরণ করা হবে।
জেন্ডার প্রোমোটার জান্নাতুল মাওয়া বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাচ্চাদের বেড়ে উঠার জন্য বিভিন্ন সহশিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সু-শিক্ষায় গড়ে তুলতে শুক্রবার ও শনিবার সপ্তাহে দুইদিন সংগীত চর্চা, কবিতা আবৃত্তি, জেন্ডার বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাচ্ছাদের একটু অবসর বিনোদন সময় কাটাতে প্রতিটি কেন্দ্রে লুডু, দাবা ও কেরাম খেলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সংগীত শিক্ষক মায়া ভৌমিক জানান, বাচ্চারা কিশোর-কিশোরী ক্লাবে এসে শুদ্ধ ভাষায় গান শেখার পাশাপাশি শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখতে পারছে।
মাগুরা জেলা ফিল্ড সুপারভাইজার পরেশ বিশ্বাস জানান, কিশোর-কিশোরী ক্লাবটি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। মূলত কিশোর-কিশোরী ক্লাব ১০-১৯ বছরের বাচ্চাদের নিয়ে মূল কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এই সময়ে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সময়। এই সময়টা শিশুরা যাতে তাদের সময়টা ভিন্ন ক্ষেত্রে নষ্ট না করে সঠিক কাজে ব্যয় করে তার জন্যই এই আয়োজন।

