Uncategorizedtitle_li=আজকের পত্রিকাtitle_li=শ্রীপুর ঐতিহ্যহারা শ্রীপুরের ঐতিহ্যবাহী এমসি পাইলট হাইস্কুল। প্রতিকার চেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ

ঐতিহ্যহারা শ্রীপুরের ঐতিহ্যবাহী এমসি পাইলট হাইস্কুল। প্রতিকার চেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ

মাগুরানিউজ.কম:

mn

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় শ্রীপুর এমসি পাইলট হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগকে কেন্ত্র করে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এলাকাবাসির অভিযোগে বলা হয়েছে, শ্রীপুর এমসি পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শওকত আলী ইতোপূর্বে অবসরে যাওয়ায় পদটি শূণ্য হয়। নিয়ম মাফিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করে। কিন্তু বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক শামিমুল ইসলাম স্থানীয় প্রভাবশালী লোক হওয়ায় যোগ্য অন্যকোন প্রার্থীকে আবেদন করতে দেন নাই।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালি এই শামিমুল ইসলাম ২০০০ সালে এই বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল শাখায় ল্যাব এ্যাসিস্টট্যান্ট হিসাবে ৩ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে যোগদান করেন। পরবর্তিতে ৫ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে জাল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে সহকারি শিক্ষক (কম্পিউটর) পদে যোগদান করেন।

এসময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইং ৭.২.২০০১ তারিখে স্বারক নং-১১/ বিবিধ-৫/৯৪(অংশ-৬)১৭১(২) এক প্রজ্ঞাপনে আদেশ দেন যে, কোন প্রার্থী শিক্ষা জীবনে তৃতীয় বিভাগে পাশ করলে তাকে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যাবে না। এই আদেশ ২.৪.২০০৩ তারিখ পর্যন্ত বলবত ছিল। কিন্তু প্রভাবশালী শিক্ষক শামিমুল ইসলাম ২০০৩ সালের ১ এপ্রিল ঐ আদেশ অমান্য করে প্রভাব খাটিয়ে ও উৎকোচের বিনিময়ে সহকারি শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে শামিমুল ইসলাম ২০১৪ সালে ১০ লাখ টাকা উৎকোচ দিয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন। আর তার এই কাজে সহায়তা করেন শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান অভিযোগে প্রকাশ।

অভিযোগকারীদের বক্তব্য, বর্তমানে ইউপি চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হওয়ায় এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে শামিমুল ইসলাম নিয়োগ লাভের জন্য ১৫ লাখ টাকা উৎকোচ প্রদান করে অন্য যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন করতে দেন নাই।

তাদের অভিযোগ থেকে আরো জানা যায় যে, শামিমুলের শিক্ষা জীবনে এস.এস.সি-২য় বিভাগ, এইচ.এস.সি-৩য় বিভাগ। যা কিনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশের পরিপন্থি। এছাড়াও ঐ শিক্ষকের নামে শ্রীপুর থানায় ও মাগুরা আদালতে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যে কারণে বিদ্যালয়ের স্বার্থে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য এলাকাবাসি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মধুসূধন সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। গত ইং ১২.৭.১৫ তারিখে শ্রীপুর হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে যাচাই বাছাইয়ের সময় শামিমুল ইসলামের বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

এ অবস্থায় কেবলমাত্র উৎকোচের বিনিময়ে একজন অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ লোককে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের অপচেষ্টা সফল হলে এই বিদ্যালয়ের সুনাম. ঐতিহ্য ও লেখাপড়ার পরিবেশের মান নিম্নগতির দিকে যেতে বাধ্য হবে বিধায় অভিযোগকারীরা শিক্ষামন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আগস্ট ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« জুলা    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

মাগুড়া সদর

ফেসবুকে আমরা

Pages

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

আগস্ট ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« জুলা    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

রাজনীতি

অর্থনীতি

Categories