আজকের পত্রিকাtitle_li=মহম্মদপুর মাগুরায় মধুমতির বিপন্ন ‘শুশুক’দের বাঁচার আকুল আবেদন

মাগুরায় মধুমতির বিপন্ন ‘শুশুক’দের বাঁচার আকুল আবেদন

মাগুরানিউজ.কমঃ

11039047_949854685057772_5552028098611284174_n

একসময় মাগুরার মধুমতি নদীতে শুশুকের দেখা মিলত। বর্তমানে তেমন আর দেখা মেলে না এই জলজ প্রাণীটির। জানা যায়, জেলেরা মাছ ধরতে শুশুকের তেল ব্যবহার করার জন্য শুশুক শিকার করছেন। এর ব্যাপকতা এতই বেশি যে বহু জেলে মাছ ধরা ছেড়ে শুশুক ধরার কাজেই নদীতে নেমে পড়েন। মাছ ধরতে জেলেরা শুশুকের তেল ব্যবহার করছেন। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় শুশুকের তেল ছিটিয়ে জেলেরা পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন মাছ ধরছেন।

একশ্রেণির জেলের কারেন্ট জালে আটকে শুশুক মারা পড়লেও দেখার কেউ নেই। একটি শুশুক ধরতে পারলেই দুই হাজার টাকা আসে। আর প্রতি কেজি তেল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে শুশুক কত দিন টিকে থাকবে, সেটাই এখন ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নদীতে ছয় প্রজাতির ডলফিন দেখা যায়। এদের মধ্যে সচরাচর যেটি চোখে পড়ে তার নাম শুশুক বা শিশু। এদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং ওজন প্রায় ১০০ কেজি হয়। গবেষকরা বলছেন, প্রতিবছর যে সংখ্যক শুশুক পরিবেশদূষণের ফলে মারা পড়ে, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি মারা পড়ছে জেলেদের জালে আটকা পড়ে।

মধুমতীপারের ঢুষরাইল গ্রামের জেলে মানিক রাজবংশী (৬০) বলেন, শৈশব থেকে তিনি পদ্মার শাখা মধুমতী নদীতে মাছ ধরছেন। একসময় নদীতে প্রচুর শুশুক দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায় না। কারেন্ট জালে আটকা পড়ে প্রতিবছর প্রচুর শুশুক মারা পড়ায় প্রজাতিটি বিপন্নের তালিকায় চলে গেছে। এ ছাড়া নদীর গভীরতা হ্রাস ও চর পড়ার কারণেও শুশুক বিলুপ্তির পথে।

মাগুরায় মধুমতির বিপন্ন ‘শুশুক’দের রক্ষা করার দায়িত্ব সকলের। আসুন সচেতন ভাবেই ওদের রক্ষা করি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডিসেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« নভে    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

মাগুড়া সদর

ফেসবুকে আমরা

Pages