আজকের পত্রিকাtitle_li=মাগুরা সদর গর্ভস্থ শিশুসহ মা গুলিবিদ্ধের মামলার পলাতক আসামী আজিবর শেখ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

গর্ভস্থ শিশুসহ মা গুলিবিদ্ধের মামলার পলাতক আসামী আজিবর শেখ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

 

মাগুরানিউজ.কম:

Mehedi_Hasan_Aziubbar_Pic_450963518
মাগুরার দোয়ারপাড় এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে গর্ভস্থ শিশুসহ মা গুলিবিদ্ধ ও আব্দুল মোমিন নামে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়েকৃত মামলার ৩ নং আসামি মেহেদী হাসান আজিবর ওরফে অজিবর শেখ (৪২) গত রাত ১টার সময় শহরের দোয়ার পাড় এতিমখানা এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহ আরো জানান। নিহত আজিবর দোয়ার পাড়ের আব্দুল মালেক ওরফে বোমা মালেকের ছেলে।

মাগুরার পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহ জানান, আজিবরসহ একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ নিয়ে দোয়ারপাড় এতিমখানা এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবরের মাগুরা পুলিশের একাধিক টিম তাকে আটক করতে সেখানে অভিযানে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ ও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থলে আজিবর শেখের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। অন্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি আগ্নেযাস্ত্র ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

ঐ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মাগুরা শহরের ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে শালিখা উপজেলার সীমাখালী এলাকা থেকে পুলিশের হাতে আজিবর গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

মাতৃগর্ভস্থ শিশু গুলিবিদ্ধ মোমিন হত্যা ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আজিবর ৩নং আসামি হলেও মামলায় বাদী উল্লেখ্য করেছেন আজিবরের আগ্নেয়াস্ত্রের ছোড়া গুলিতে মমিন ভূইয়া নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২৩ জুলাই শহরের দোয়ার পাড় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাশীন দলের ছত্রছায়ায় থাকা দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন মমিন ভূইয়া নামে একজন। গর্ভস্থ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ হন নাজমা বেগম নামে এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় নিহত মমিনের পুত্র রুবেল ২৬ জুলাই মাগুরা সদর থানায় ১৬ জনের নামে হত্যাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

গর্ভস্থ সন্তানও গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সারাদেশে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। গুলির দাগ নিয়ে ভূমিষ্ঠ শিশুটি এখন আশঙ্কামুক্ত। মা ও মেয়ে দুজনেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মামলার ১৬ আসামির মধ্যে পুলিশ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দুই নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলীসহ ৬ জনকে এখনও ধরা যায়নি। এই ঘটনায় নিহত মোমিনের ছেলের দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সেন সুমন গ্রেপ্তার হয়ে পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন। ঢাকার কল্যাণপুর থেকে গত ২ আগস্ট সেন সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মামলার পাঁচ নম্বর আসামি সুমন করিগর ও ১২ নম্বর আসামি সোবাহানকে পুলিশ এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মে ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« এপ্রি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

মাগুড়া সদর

ফেসবুকে আমরা

Pages