আজকের পত্রিকাtitle_li=বাংলাদেশ বড় দু’দলই সরব হবে রমজানে!

বড় দু’দলই সরব হবে রমজানে!

1406230-daser-dol_350_115মাগুরানিউজ.কম: ইফতার পার্টির মাধ্যমে রমজানের মধ্যেই দলকে সুসংগঠিত করে ঈদের পর সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামতে চায় বিএনপি। অন্যদিকে, ইফতারের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনীতিতে ব্যবহারের বিরোধিতা করলেও এর মাধ্যমেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চায় আওয়ামী লীগ। সব মিলিয়ে রমজানে সরগরম রাজনীতিরই আভাস দিলেন উভয় দলের শীর্ষ নেতারা। খবর সময় টেলিভিশনের।

 

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর নানা কারণে মাঠের আন্দোলন থেকে কিছুটা গুটিয়ে এলেও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়কসহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনীতির মাঠ উঞ্চ রেখেছে বিএনপি। অন্যদিকে, বিএনপি’র দাবি বা অভিযোগ পাশ কাটিয়ে সরকারও নানাভাবে চেষ্টা করছে দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর। এর মাঝেই দরজায় কড়া নাড়ছে রমজান মাস। সঙ্গত কারণেই ইফতার পার্টিকে ঘিরে রাজনীতি পেতে যাচ্ছে ভিন্ন মাত্রা।

 

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “প্রত্যেকটি ওয়ার্ডেই ইফতার পার্টি হয়। অঙ্গ-সংগঠনগুলোতে ইফতার পার্টি হয়। ইফতার পার্টি থাকবে এবং গতবারের চেয়ে এবার প্রায় দেড়গুণ ইফতার পার্টি হবে।

 

আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, “সারা দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জেলা কমিটি, উপজেলা কমিটি এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত ইফতার পার্টি করে। সেখানে ধর্ম নির্বিশেষে সেখানে সবাই আমন্ত্রিত হয়।

 

ইফতার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে ঈদের পরই সরকার পতনের আন্দোলনে নামতে চায় বিএনপি। অন্যদিকে এর মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মাঝে মেলবন্ধন তৈরি করতে চায় আওয়ামী লীগ।

 

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “আমি মনে করি ইফতার পার্টি একটি সুযোগ হবে। যে সুযোগে গণ-সচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং ঈদের পরে বৃহত্তর কর্মসূচি প্রদান করা হবে।

 

নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, “এ মাসে আমরা মানুষের সঙ্গে সংহতি জ্ঞাপন করতে চাই। রমজানের যে মূল চেতনা সেটাকে তুলে ধরার জন্যই আমরা এ অনুষ্ঠানগুলো করি।

 

নূহ-উল আলম লেনিন ইফতার অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক আলোচনার সমালোচনা করলেও এতে কোনো সমস্যা দেখেন না বিএনপি’র এই শীর্ষ নেতা।

 

নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষ বিএনপি এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলোকে একটা রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য তারা বেছে নেবে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত।

 

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “এই কাজ তো প্রত্যেকেই করে। প্রধানমন্ত্রী তো বিরোধীদলীয় নেত্রীকেও দাওয়াত দিয়েছে। আমরাও গিয়েছি ওনারাও এসেছে। সুতরাং এটা রাজনৈতিক একথা বলার কোনো কারণ নেই। এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের একটা অংশ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডিসেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« নভে    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

মাগুড়া সদর

ফেসবুকে আমরা

Pages